ঢাকা , সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পুতিন-শি জিনপিংকে নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

দুজনই কঠোর নেতা, সামলানো কঠিন

সিবিএস নিউজের সিক্সটি মিনিটস অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোন নেতাকে সামলানো বেশি কঠিন- এমন প্রশ্ন করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট একথা বলেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নাকি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কাকে সামলানো বেশি কঠিন বলে মনে করেন?- এমন প্রশ্নে কোনও এক জনকে বেছে না নিয়ে বরং দুই জনকেই বিরল প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

বলেছেন “তারা দুইজনই শক্তিশালী ও হিসেবি নেতা। দুইজনই কঠোর। দুইজন স্মার্ট। তাদের গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।” ট্রাম্পের মতে, দুই জনকেই সামলানো কঠিন। কারণ, দু’জনই কঠিন ও বিচক্ষণ মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের সিক্সটি মিনিটস অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এমন কথা বলেন। এই সংবাদমাধ্যমের মূল কোম্পানির সঙ্গে মামলা নিষ্পত্তির পর এটিই ছিল ট্রাম্পের প্রথম সাক্ষাৎকার।

ইউক্রেইনের চলমান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প এই সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, “আগের শাসনামলের পর আমি এমন একটা দেশ পেয়েছি, যেখানে পুতিন ভাবছেন যে তিনি জিতছেন। কিন্তু আমি প্রেসিডেন্ট থাকলে এ যুদ্ধ ঘটতই না।

রাজনীতি সংবাদ বিশ্লেষণ
নিজের প্রেসিডেন্সির প্রথম মেয়াদে এ ধরনের যুদ্ধ কখনও হয়নি দাবি করে ট্রাম্প বলেন, “৪ বছর ধরে এমন কিছু ঘটেনি এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।”

ট্রাম্প দাবি করেন, পুতিনও স্বীকার করেছেন যে, যদি তিনি (ট্রাম্প) পরপর ক্ষমতায় থাকতেন, তবে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হত। তখন জো বাইডেন ক্ষমতায় ছিলেন।

নিজের প্রশাসনের সামরিক প্রস্তুতি তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, “আমি প্রথম মেয়াদে সামরিক বাহিনী পুনর্গঠন করেছি। আমরা বিশ্বের সেরা অস্ত্র তৈরি করি। তারা সেই অস্ত্রই প্রচুর পরিমাণে যুদ্ধে ব্যবহার করেছে।”

চীনের শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্ক খুবই ভাল। তিনি একজন শক্তিশালী এবং খুবই ক্ষমতাধর নেতা।”

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে চাপ থাকার কথা স্বীকার করলেও, ট্রাম্প দাবি করেন, দুই দেশের সম্পর্ক যতটা সম্ভব ভাল। শক্তিধর হওয়ার কারণে দুই দেশের ভাল সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প চীনের পণ্যের ওপর শুল্ক ৫৭ শতাংশ থেকে ৪৭ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দেন। এ সিদ্ধান্তকে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফলপ্রসূ বৈঠকের ফল বলে বর্ণনা করেন।

ইউ

পুতিন-শি জিনপিংকে নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

দুজনই কঠোর নেতা, সামলানো কঠিন

আপডেট সময় ০২:৪৬:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

সিবিএস নিউজের সিক্সটি মিনিটস অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোন নেতাকে সামলানো বেশি কঠিন- এমন প্রশ্ন করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট একথা বলেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নাকি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কাকে সামলানো বেশি কঠিন বলে মনে করেন?- এমন প্রশ্নে কোনও এক জনকে বেছে না নিয়ে বরং দুই জনকেই বিরল প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

বলেছেন “তারা দুইজনই শক্তিশালী ও হিসেবি নেতা। দুইজনই কঠোর। দুইজন স্মার্ট। তাদের গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।” ট্রাম্পের মতে, দুই জনকেই সামলানো কঠিন। কারণ, দু’জনই কঠিন ও বিচক্ষণ মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের সিক্সটি মিনিটস অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এমন কথা বলেন। এই সংবাদমাধ্যমের মূল কোম্পানির সঙ্গে মামলা নিষ্পত্তির পর এটিই ছিল ট্রাম্পের প্রথম সাক্ষাৎকার।

ইউক্রেইনের চলমান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প এই সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, “আগের শাসনামলের পর আমি এমন একটা দেশ পেয়েছি, যেখানে পুতিন ভাবছেন যে তিনি জিতছেন। কিন্তু আমি প্রেসিডেন্ট থাকলে এ যুদ্ধ ঘটতই না।

রাজনীতি সংবাদ বিশ্লেষণ
নিজের প্রেসিডেন্সির প্রথম মেয়াদে এ ধরনের যুদ্ধ কখনও হয়নি দাবি করে ট্রাম্প বলেন, “৪ বছর ধরে এমন কিছু ঘটেনি এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।”

ট্রাম্প দাবি করেন, পুতিনও স্বীকার করেছেন যে, যদি তিনি (ট্রাম্প) পরপর ক্ষমতায় থাকতেন, তবে যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হত। তখন জো বাইডেন ক্ষমতায় ছিলেন।

নিজের প্রশাসনের সামরিক প্রস্তুতি তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, “আমি প্রথম মেয়াদে সামরিক বাহিনী পুনর্গঠন করেছি। আমরা বিশ্বের সেরা অস্ত্র তৈরি করি। তারা সেই অস্ত্রই প্রচুর পরিমাণে যুদ্ধে ব্যবহার করেছে।”

চীনের শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্ক খুবই ভাল। তিনি একজন শক্তিশালী এবং খুবই ক্ষমতাধর নেতা।”

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে চাপ থাকার কথা স্বীকার করলেও, ট্রাম্প দাবি করেন, দুই দেশের সম্পর্ক যতটা সম্ভব ভাল। শক্তিধর হওয়ার কারণে দুই দেশের ভাল সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প চীনের পণ্যের ওপর শুল্ক ৫৭ শতাংশ থেকে ৪৭ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দেন। এ সিদ্ধান্তকে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় ফলপ্রসূ বৈঠকের ফল বলে বর্ণনা করেন।

ইউ