কবি অনিতা দাস কবিতা (অনিতা আনন্দ কবিতা) ১৯৭৭ সালের ১১ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কনকদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- বাবু হীরেন চন্দ্র দাস ব্যাংক অফিসার এবং মাতা স্বর্গীয় তপতী রানী দাস শিক্ষক ছিলেন।
দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে অনিতা আনন্দ কবিতা সবার বড়। স্বামী স্বনামধন্য কৃষিবিদ আনন্দ চন্দ্র দাস। বিএডিসি (যুগ্মপরিচালক)। দুই সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে অনিরুদ্র দাস আকাশ (কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়নরত) এবং ছোট ছেলে তন্ময় দাস সাগর আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যয়নরত।
অনিতা আনন্দ কবিতা ছোটবেলা হতেই মেধাবী, সংস্কৃতিমনা ও সাহিত্যনুরাগী। বিয়ের পরে তিনি একান্তভাবেই সংসার ধর্মে মনোনিবেশ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে শ্রদ্ধেয় স্বামী আনন্দ চন্দ্র দাসই তার জীবনের সকল কাজের অনুপ্রেরণার উৎস এবং সাফল্যের ধারক ও বাহক বলে তিনি মনে করেন।
অপর ক্ষেত্রে তিনি একজন পাকা রাঁধুনি। রান্নার প্রতিযোগিতায় তিনি বহু বছর ধরে পুরস্কৃত হয়ে আসছেন। এছাড়া বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার রান্নার বহু রেসিপি প্রকাশিত হয়েছে এবং বেতার কেন্দ্রেও তার বেশ কয়েকটি রান্নার রেসিপি প্রচারিত হয়েছে।
গৃহিণী হলেও বেশি সময় কাটে সাহিত্য চর্চায়। বর্তমানে ‘কবিতার স্বপ্ননীল গ্রুপ’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে গ্রুপ পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ইতিমধ্যে তিনি তার কবিতার স্বপ্ননীল গ্রুপে অংশগ্রহণকারী কবি-সাহিত্যিকদেরকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শত শত পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেছেন।
বিশেষভাবে সাহিত্যক্ষেত্রে এবং ভার্চুয়াল গ্রুপ থেকেও তিনি তার অসামান্য বহু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন।
তাছাড়া দশ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা এবং গত পাঁচ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে এস এম মুজিবুর রহমান গুণিজন ও সাহিত্য সম্মাননা স্মারক প্রাপ্ত হন।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা, ম্যাগাজিন, সাময়িকীতে তার অনেক লেখা প্রকাশিত হয়েছে। অগণিত যৌথ কাব্যগ্রন্থেও তাঁর লেখা স্থান পেয়েছে।
জেএস

শহিদুল ইসলাম সভাপতি ও খুরশীদ আলম সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত
নিজস্ব প্রতিবেদক 





























