ঢাকা , রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo শহিদুল ইসলাম সভাপতি ও খুরশীদ আলম সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত Logo ২০২৬ বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করল ফিফা Logo দেশীয় চিনির মজুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিদেশ থেকে আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা Logo খালেদা জিয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসার অনুমতি চাইল মঙ্গলবার Logo গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এখনও অর্জিত হয়নি: কাতারের প্রধানমন্ত্রী Logo পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ৪০ হাজার মানুষের জন্য রান্না হচ্ছে বিরিয়ানি Logo আগামী নির্বাচনী ইশতেহার হবে মানুষের মুক্তির সনদ Logo পীরগঞ্জের শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo লালমনিরহাট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাতিলের দাবিতে হরিজন সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ Logo ভূমধ্যসাগরে নিখোঁজ রাজৈরের যুবক ছামির শেখ, পরিবারে মাতম

অক্টোবরে সড়কে মৃত্যু বেড়েছে ৫.৭৫ শতাংশ: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

দেশে অক্টোবর মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৮৬টি। নিহত ৪৪১ জন এবং আহত হয়েছেন এক হাজার ১২৮ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৭ জন। এর সঙ্গে ৬৩ শিশুও রয়েছে।

গত সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হন ১৩ দশমিক ৯ জন। অক্টোবর মাসে নিহত হয়েছে ১৪ দশমিক ৭ জন। এই হিসেবে অক্টোবর মাসে প্রাণহানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) প্রকাশিত রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। নয়টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে ফাউন্ডেশন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩৭ জন, যা মোট নিহতের ৩১ দশমিক ০৬ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।
দুর্ঘটনায় ৯৮ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২২ দশমিক ২২ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬২ জন অর্থাৎ ১৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।

এই সময়ে ৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত এবং চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। ৪৬টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৪৩ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬৬টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৪৮টি আঞ্চলিক সড়কে, ৮১টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৮৭টি শহরের সড়কে এবং চারটি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১২১টি দুর্ঘটনায় ১১২ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এই গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ দরকার।

তারা আরও বলেছে, যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে। সেজন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো দরকার।

এজেএ

শহিদুল ইসলাম সভাপতি ও খুরশীদ আলম সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত

অক্টোবরে সড়কে মৃত্যু বেড়েছে ৫.৭৫ শতাংশ: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

আপডেট সময় ০৪:১৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

দেশে অক্টোবর মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৮৬টি। নিহত ৪৪১ জন এবং আহত হয়েছেন এক হাজার ১২৮ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৫৭ জন। এর সঙ্গে ৬৩ শিশুও রয়েছে।

গত সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে নিহত হন ১৩ দশমিক ৯ জন। অক্টোবর মাসে নিহত হয়েছে ১৪ দশমিক ৭ জন। এই হিসেবে অক্টোবর মাসে প্রাণহানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) প্রকাশিত রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। নয়টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে ফাউন্ডেশন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩৭ জন, যা মোট নিহতের ৩১ দশমিক ০৬ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।
দুর্ঘটনায় ৯৮ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২২ দশমিক ২২ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬২ জন অর্থাৎ ১৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।

এই সময়ে ৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত এবং চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। ৪৬টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৪৩ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬৬টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৪৮টি আঞ্চলিক সড়কে, ৮১টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৮৭টি শহরের সড়কে এবং চারটি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১২১টি দুর্ঘটনায় ১১২ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এই গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ দরকার।

তারা আরও বলেছে, যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে। সেজন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো দরকার।

এজেএ