ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo অধিকাংশ কেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে: প্রধান উপদেষ্টা Logo গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন : প্রধান উপদেষ্টা Logo আমির হামজার সমর্থনে বক্তব্য দেয়ার সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন কুষ্টিয়া জেলা আমির Logo সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে : আসিফ নজরুল Logo এনসিপিকে চট্টগ্রাম-৮ আসন ছেড়ে দেওয়ার খবরে জামায়াতের ক্ষোভ Logo নির্বাচনে ময়মনসিংহ সেক্টরে দায়িত্বে থাকবে ১২৬ প্লাটুন বিজিবি ফোর্স Logo চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায় মঙ্গলবার Logo বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ল ‘অ্যাভাটার থ্রি’, এক মাসেই ১৬ হাজার কোটি আয়! Logo নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়েছে: শ্রম উপদেষ্টা Logo এবার কেয়া পায়েলের ১০ বছর আগের ছবি নেট-দুনিয়ায় ভাইরাল

নোবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার (১৪ ডিসেম্বর ২০২৫) জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। এসময় আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হনিফ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী।

শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, একটি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলো বুদ্ধিজীবীরা। বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যখন নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তখন একটি জাতির আর হারনোর কিছুই থাকেনা। একটি জাতি বুদ্ধিজীবীদের মেধা, বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা কিংবা গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যায়। আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে ১৪ ডিসেম্বর হারিয়েছি। আমি তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি। জাতির এ শ্রেষ্ঠ সন্তানরা বেঁচে থাকলে আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতাম। ২৪’এর জুলাই বিপ্লব পরবর্তীতে আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মাধ্যমে আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান মেধাবীদেরকে লালন করি, তাহলে আমি বিশ্বাস করি আমাদের আরেকটি প্রজন্ম তৈরি হবে। যারা তাদের মেধা এবং জ্ঞানের মাধ্যমে জাতিকে নেতৃত্ব দেবে। আসুন আমরা সেই বুদ্ধিবৃত্তিক এবং মেধাবৃত্তিক নেতৃত্বের জন্য ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা একটি সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে চাই। সেজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হনিফ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেয়।

প্রসঙ্গত, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২.০১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এর নেতৃত্বে ব্ল্যাক আউট ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

 

জেএস

 

জনপ্রিয় সংবাদ

অধিকাংশ কেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে: প্রধান উপদেষ্টা

নোবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

আপডেট সময় ০৪:২২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার (১৪ ডিসেম্বর ২০২৫) জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। এসময় আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হনিফ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী।

শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, একটি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলো বুদ্ধিজীবীরা। বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যখন নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তখন একটি জাতির আর হারনোর কিছুই থাকেনা। একটি জাতি বুদ্ধিজীবীদের মেধা, বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা কিংবা গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যায়। আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে ১৪ ডিসেম্বর হারিয়েছি। আমি তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি। জাতির এ শ্রেষ্ঠ সন্তানরা বেঁচে থাকলে আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতাম। ২৪’এর জুলাই বিপ্লব পরবর্তীতে আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মাধ্যমে আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান মেধাবীদেরকে লালন করি, তাহলে আমি বিশ্বাস করি আমাদের আরেকটি প্রজন্ম তৈরি হবে। যারা তাদের মেধা এবং জ্ঞানের মাধ্যমে জাতিকে নেতৃত্ব দেবে। আসুন আমরা সেই বুদ্ধিবৃত্তিক এবং মেধাবৃত্তিক নেতৃত্বের জন্য ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা একটি সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে চাই। সেজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হনিফ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেয়।

প্রসঙ্গত, শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২.০১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এর নেতৃত্বে ব্ল্যাক আউট ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

 

জেএস