ভোটের মাঠে ‘বন্ধু সেজে’ পাশে দাঁড়ানোদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ‘নাশকতা বা অনুপ্রবেশকারীদের’ পাশে থাকার আশঙ্কার কথা বৈঠকে আলোচনার কথা তুলে ধরেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
তিনি বলেছেন, “একটি কথা বলা দরকার- যে বা যারা আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন আমাদের বন্ধু সেজে, তাদের ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সতর্ক হতে হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি যারা আছেন এখন মাঠে।”
ভোটের পরিবেশ যেন সহনীয় থাকে, নিয়ন্ত্রণে থাকে- শুরু থেকেই এমন প্রত্যাশার কথা বলে আসছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটির এমন চাওয়া কী শেষ পর্যন্ত পূরণ হবে?
তফসিল ঘোষণার পর রোববার প্রথম কার্যদিবসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সভায় বসে নির্বাচন কমিশন (ইসি) শান্তিপূর্ণ ভোটের সেই ছক কষার চেষ্টাই করেছে। একই সঙ্গে তফসিল হতে না হতেই সম্ভাব্য এক প্রার্থীকে গুলির ঘটনায় রাজনীতিতে নতুন চাঞ্চল্য তৈরির প্রেক্ষাপটে দলগুলো ও প্রার্থীদের ‘বন্ধু সেজে’ অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
সম্ভাব্য এক প্রার্থীকে একটি গুলির ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে শোরগোল আর গুজবের ডালপালা ছড়ানোর মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা এ বৈঠকে ভোটারদের মনে ভয় দূর করার সম্ভাব্য সব দিক যেমন খতিয়ে দেখা হয়েছে, তেমনি প্রার্থীদের নিরাপদ রাখার বিষয়েও চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
মাঠেঘাটে ভোটের হাঁকডাক শুরুর পর সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে টুকটাক টক্করের সময়ই এসব কাজ যে সহজ হবে না সেই বার্তাই মিলছিল। সঙ্গে ছিল নির্বাচন অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা।
এর মধ্যে অশনি সংকেত হয়ে দেখা দেয় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্ববায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলির ঘটনা।
তফসিল ঘোষণার পরদিনই রাজধানীতে শুক্রবার দিনের বেলা প্রকাশ্যে সম্ভাব্য এক প্রার্থীকে গুলির ঘটনা যেন খোদ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে ছিল মাথায় ‘বাজ পড়ার মত’।
রাজনীতিতে এ নিয়ে নানামুখী আলোচনার প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথাযথ পদক্ষেপের সঙ্গে শুধু তাদের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের চারপাশে, নিজ দলের মধ্যেও কড়া নজরদারির তাগিদ এসেছে কমিশনের তরফে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন ভবনে এদিন ইসির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এ বৈঠকে বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা অংশ নেন।
সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে বাধা এলে সরকারের পদক্ষেপও কঠোর থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলোও ঐক্যবদ্ধ থাকায় জোর দিয়েছে। চোরাগোপ্তা হামলার শঙ্কা ও ভোট বানচালের মত পরিস্থিতি ঠেকাতে ইসিও কঠোর অবস্থান নিতে বলেছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছু ঘটনা ঘটলেও কোনোভাবেই যাতে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেন না যায় সে বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে ইসি।
সার্বিকভাবে এখন থেকে নির্বাচনি পরিবেশ যেন সহনীয় থাকে সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ মনে করেন, নির্বাচনের সময় নির্বাচনকে সামনে রেখে কিছু ঘটনা তো ঘটেই থাকে। কিন্তু সেগুলো যেন কখনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়।
অবসরপ্রাপ্ত এ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বলেন, “এ ধরনের চোরাগোপ্তা হামলার ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে বা এগুলো যাতে কঠোর হস্তে দমন করা হয়। যারাই নির্বাচন বানচাল করার, প্রতিহত করার বা ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনো চেষ্টা করবেন তারা ব্যর্থ হবেন এবং যেখানে যতটুক দৃঢ় হওয়া প্রয়োজন সকল বাহিনী ততটুক দৃঢ় হবে।”
ভোটকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে অনেক সন্ত্রাসী জামিনে ছাড়া পেয়ে বাইরে রয়েছে; অনেকের হাতে অবৈধ অস্ত্র রয়েছে।
আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর উদ্দেশে ইসির প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হয়েছে বৈঠকে। এ পর্যন্ত কাজে সন্তুষ্ঠ থাকলেও যেসব জায়গায় আরও কাজ করা দরকার সেসব বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিক সংখ্যায় চেকপয়েন্ট বসিয়ে সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম ও চলাচল নিয়ন্ত্রণের কথাও বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে ৫ অগাস্টের পরে হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আবারও তাগিদ দিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “আমাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে গতকালকে (শনিবার) থেকে ডেভিল হান্ট অপারেশনের দ্বিতীয় ফেইজ আবার শুরু হয়েছে; এটা সমন্বিতভাবে চলবে।”
খুলনাসহ দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে খুনোখুনি বেড়েছে। ৫ অগাস্টের পর খুলনা মহানগরী ও জেলাতেই শতাধিক খুনের ঘটনা ঘটেছে। নদী থেকে লাশ উদ্ধার হয়েছে অর্ধশতিাধিক। সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও সুবিধার নয়। এমন অবস্থায় গোয়েন্দা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর আলোকপাত করা হয়েছে বৈঠকে।
এ বিষয়ে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “এ গোয়েন্দা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সকল বাহিনীর গোয়েন্দা উপাত্ত যাতে করে সমন্বয় করা হয় সেটার ব্যাপারে কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে আমাদের দেশের বর্ডার অঞ্চলসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।”
তিনি জানান, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা এবং সেই সীমান্ত এলাকায় যে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। যেটার সাথে বৃহত্তর কোন ঘটনার সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখতে বলেছে ইসি।
সার্বিক বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন অবগত ও সতর্ক রয়েছে বলে উল্লেখ করেন এ নির্বাচন কমিশনার।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভালোভাবে কাজ করলেও আত্মতুষ্টিতে না ভুগে ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে ঠেকানো যায় সেজন্য কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বৈঠক থেকে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্ববায়ক ও ঢাকা ৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হাদির ওপর গুলিবর্ষণকারী ব্যক্তি তার সঙ্গে নির্বাচনি প্রচারণায় ভিড়ে গিয়েছিল বলে সোশাল মিডিয়ায় আলোচনা চলছে। শুধু নির্বাচনি প্রচারণা নয়, সংগঠনটির কার্যালয়ে ওই ব্যক্তির যাওয়ার ছবিও ছড়িয়েছে।
এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “মেসেজ ভেরি ক্লিয়ার- আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অ্যাক্টিভলি কাজ করছে মাঠ পর্যায়ে। চোরাগোপ্তা হামলার যে ঘটনাগুলো ইতোমধ্যে ঘটেছে সেগুলোর স্বরূপ নিরূপণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এগুলোকে প্রতিহত করার জন্য যথাযথ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা বলেন, একটা ঘরের ভেতরে এদের হাতে যদি কোনো ঘটনা ঘটে যায়, তাহলে পরে হয়ত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। কিন্তু ক্ষতি যা হবার তা হয়ে যাবে। তাই সবারই সতর্কতার প্রয়োজন আছে।
পরস্পর দোষারোপ না করে দলগুলোকে ঐকবদ্ধ থাকারও সভায় আলোচনা হওয়ার কথা তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ।
তিনি বলেন, “আরেকটা বিষয় আলোচনায় এসেছে- বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরকে দোষারোপ করে থাকেন এবং এই সুযোগে সন্ত্রাসীরা বা নাশকতাকারীরা যেন ছাড় না পায়, সুযোগ না পায়। “
তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য, প্রিম্যাচউরলি যেগুলো দেওয়া হয় সেগুলো এ ধরনের সন্ত্রাসীদেরকে হয় উসকে দিচ্ছে। না হয় পালাতে সাহায্য করছে।“
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদ ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির এ ভোটের তফসিলের পরদিনই সম্ভাব্য প্রার্থীর উপর হামলা-সামনে প্রচারণা আসছে। এরইমধ্যে ভোটার, প্রার্থীদের মধ্যে ভীতির ছড়াতেই এমন ঘটনা মনে করছে নির্বাচন কমিশনও।
এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “আমি যদি বলি যে তাদের উদ্দেশ্যই তো ছিল এটা (ভীতির পরিবেশ)। যারা এই কাজটা করতে চাচ্ছে তারা চাচ্ছে এটা একটা ভীতির পরিবেশ তৈরি করার, আমাদেরকে সেটাই ডিফাই করার জন্যই আজকের এই মিটিং। এটা এটা এটা সাকসেসফুল হতে দেওয়া হবে না”।
আরও চোরাগোপ্তা হামলার শঙ্কার কথা বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কি না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “জি, আমরা এটাকে আমলে নিয়েই তো এই মিটিংটা। এই চোরাগুপ্তা হামলাটা একটা নয়; এ ধরনের প্রবণতা থাকতে পারে। যাতে সামনে কীভাবে এটা আমরা প্রতিহত করতে পারি।”
সরকারের নানা পদক্ষেপের মধ্যে নির্বাচন কমিশন সার্বিক পরিবেশ মূল্যায়ন করে আগামীর বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলেছে।
এই নির্বাচন কমিশনার বলেন “আমরা যেটা করেছি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে, এটা নির্বাচনের উপরে প্রভাব নির্বাচনি পরিবেশের উপরে প্রভাব ইত্যাদি নিয়ে মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাদের কাছ থেকে তাদের ফিডব্যাকটা জানতে চেয়েছি। আমাদের যে বক্তব্যগুলো দেওয়া ছিল সেগুলো দিয়েছি।”
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে চিহ্নিত সন্ত্রাসী অনেককেই ইতোপূর্বে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু তারা আবার জামিন পেয়ে বাইরে এসেছেন। এদের ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা থেকে যে পরিকল্পনা এসেছে, তাতে সম্ভাব্য প্রার্থী ও সম্মুখ সারির ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ নিরাপত্তার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
কিন্তু অন্য যারা নির্বাচন করবেন, তাদের নিরাপত্তা কীভাবে দেওয়া হবে- জানতে চাইলে শনিবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “তাদের ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেব এবং তারা যদি ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স চায় আমরা দেব।”
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, “আমি আমি ঠিক জানি না। আমার সাথে কোনো আলোচনা হয় নাই। কমিশনের সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে বলে আমার জানা নাই। এটা আমি ঠিক জানিও না উনি কি মন্তব্য করেছেন? কোন প্রেক্ষাপটে করেছেন আমি যদি জানি পরে আমি আলোকপাক করতে পারব।”
নির্বাচনের সময় যেখানে বৈধ অস্ত্র জমা দিতে হয় সেখানে প্রার্থীরা অস্ত্র নিতে পারবেন কিনা? এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমরা এটা নিয়ে ভেবে দেখবো। মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কি বলেছেন, কোন প্রেক্ষাপটে বলেছেন আলোচনা করে দেখি, তারপর।”
নির্বাচনি পরিবেশে হাদিকে গুলির মত ঘটনা প্রভাব ফেললেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তৎপরতায় সামনে ভালো আশা করছে ইসি।
এক প্রশ্নের জবাবে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে এখন যেকোন ঘটনায় তো একটা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব নির্বাচনের উপর থাকবেই। থাকাটা অস্বাভাবিক নয়; ইভেন স্বাভাবিক। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও কিন্তু নির্বাচনের উপর প্রভাব ফেলবে। সুতরাং সেটাও আমাদেরকে আমলে নিতে হচ্ছে।”
তিনি বলেন, পৃথিবীর কোথাও সকল পরিস্থিতিকে জিরো করে ফেলা যাবে না। কিন্তু দেখতে হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে, নাকি করছে না।
“বিভিন্ন বাহিনী থেকে কিছু আপডেট দেওয়া হয়েছে এগুলোর ব্যাপারে। ইতোমধ্যে তিনজনকে এরেস্ট করা হয়েছে মর্মে আমরা জেনেছি। আর বাকি তথ্যগুলো তদন্তের স্বার্থে আমি আর বলতে চাচ্ছি না। ”
নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন ভবনসহ নিরাপত্তা জোরদারের প্রসঙ্গও টেনে তুলে ধরেন তিনি।
সাইবার সিকিউরিটির সেলগুলোও কাজ শুরু করেছে বলে তুলে ধরেন তিনি।
“অপতথ্য শূন্য করে দিতে পারবেন না। এটার প্রবণতা ঠেকাতে হবে। এটার বিস্তার ঠেকাতে হবে। সেটাই আমরা করে যাচ্ছি। আর যাদেরকে চিহ্নিত করতে পারবো তারা আইনের আওতায় আসবেন।”
ইউ

আমির হামজার সমর্থনে বক্তব্য দেয়ার সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন কুষ্টিয়া জেলা আমির
ডেসটিনি প্রতিবেদক 




























