ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
যথাসময়ে অনুপস্থিত দেখিয়ে মনোনয়নপত্র ফেরত

গোবিন্দগঞ্জে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন গণফোরাম প্রার্থীর

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারী) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জে প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন গণফোরামের প্রার্থী ছামিউল আলম রাসু।

লিখিত বক্তব্যে ছামিউল আলম রাসু বলেন, যথাসময়ে সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাই। এসময় তিনি সকল কাগজপত্র দেখে একটি কাগজ সত্যায়িত নেই বলে আমাকে অবগত করেন। সেসময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রওশানুল কাওছার কাছে ওই কাগজ সত্যায়িত করতে গেলে সই না করে কাগজ ফেরত দেন তিনি। কাগজ ফটোকপি করতে গেলে পথমধ্যে এক্সিডেন্ট করি, সেখান থেকে আবারও সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তার কাছে যাই। কিন্তু সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তা যথাসময়ে কাগজপত্র জমা না দেওয়ার অজুহাতে কাগজপত্র ফেরত দেন।

ফলে আমি প্রার্থী হতে পারিনি। প্রার্থী হতে আপনাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ১৪০ জামালপুর-৩ মেলান্দহ মাদারগঞ্জ আসন এর মো: জিয়াউল হক গণফোরামের প্রার্থী তার বেলাতেও একই ঘটনা ঘটায় কৌশলে তার নমিনেশন জমা নেয়নি যথাসময়ে উপস্থিত ছিলেন তিনি। শেপুরে ২ মিনিট দেরি মনোনয়ন জমা দিতে না পেরে অঝোরে কাঁদলেন এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা।
এদিকে নীলফামারী-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মনোনয়নপত্রের মূল কাগজপত্র সময় মতো জমা দিতে ব্যর্থ হয়, তারপরও তার নমিনেশন জমা হয়। আমি কোনো অন্যায় করতে পারবো না, জুনায়েদ সাকিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন তারপরও তার নমিনেশন জমা নেওয়া হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর)।

ছামিউল আলম বলেন, একই দেশে দৈত্য আইন পাওয়ার হুন্ডাগুন্ডাদের জন্য এক রকম আবার অন্য প্রার্থীদের জন্য অন্য রকম এটা ২০২৪ এরপরে মেনে নেওয়া যায় না। আমি মনে করি এখন পর্যন্ত নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। সব উপজেলায় প্রশাসনিক পদ রদ বদল হয়েছে কিন্তু গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এখনো হয়নি, তিনি বিশেষ শক্তির সাথে হাত মিলিয়েছেন মনে করি,তার খুটির জোর অনেক শক্ত পোক্ত। তিনি আমাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেন আমি নাকি প্রত্যেকবার নির্বাচনের আগে ফরম জমা দেওয়ার সময় এক্সিডেন্ট করি,যা সম্পন্ন মিথ্যা তার কথার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং সেই সাথে তার আইন গত বিচার চাই।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রওশানুল কাওছার বলেন, প্রার্থী একটি কাগজে স্বাক্ষর নিতে আমার কাছে আসলে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করি। সেসময় তিনি বলেন স্বাক্ষর করবেন কিনা তা আপনার ব্যাপার। আমাকে কেন ফোন দিয়ে জানতে হবে কেন। তিনি আরও বলেন, যদি প্রার্থীর সার্টিফিকেট সঠিক না হয় তাহলে আপনাকে তার দায় নিতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যথাসময়ে প্রার্থী কাগজপত্রসহ যথাসময়ে অনুপস্থিত থাকায় তার মনোনয়নপ্রত্র গ্রহণ করা হয়নি।

আর

জনপ্রিয় সংবাদ

যথাসময়ে অনুপস্থিত দেখিয়ে মনোনয়নপত্র ফেরত

গোবিন্দগঞ্জে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন গণফোরাম প্রার্থীর

আপডেট সময় ১০:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারী) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জে প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন গণফোরামের প্রার্থী ছামিউল আলম রাসু।

লিখিত বক্তব্যে ছামিউল আলম রাসু বলেন, যথাসময়ে সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাই। এসময় তিনি সকল কাগজপত্র দেখে একটি কাগজ সত্যায়িত নেই বলে আমাকে অবগত করেন। সেসময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রওশানুল কাওছার কাছে ওই কাগজ সত্যায়িত করতে গেলে সই না করে কাগজ ফেরত দেন তিনি। কাগজ ফটোকপি করতে গেলে পথমধ্যে এক্সিডেন্ট করি, সেখান থেকে আবারও সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তার কাছে যাই। কিন্তু সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তা যথাসময়ে কাগজপত্র জমা না দেওয়ার অজুহাতে কাগজপত্র ফেরত দেন।

ফলে আমি প্রার্থী হতে পারিনি। প্রার্থী হতে আপনাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ১৪০ জামালপুর-৩ মেলান্দহ মাদারগঞ্জ আসন এর মো: জিয়াউল হক গণফোরামের প্রার্থী তার বেলাতেও একই ঘটনা ঘটায় কৌশলে তার নমিনেশন জমা নেয়নি যথাসময়ে উপস্থিত ছিলেন তিনি। শেপুরে ২ মিনিট দেরি মনোনয়ন জমা দিতে না পেরে অঝোরে কাঁদলেন এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা।
এদিকে নীলফামারী-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মনোনয়নপত্রের মূল কাগজপত্র সময় মতো জমা দিতে ব্যর্থ হয়, তারপরও তার নমিনেশন জমা হয়। আমি কোনো অন্যায় করতে পারবো না, জুনায়েদ সাকিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন তারপরও তার নমিনেশন জমা নেওয়া হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর)।

ছামিউল আলম বলেন, একই দেশে দৈত্য আইন পাওয়ার হুন্ডাগুন্ডাদের জন্য এক রকম আবার অন্য প্রার্থীদের জন্য অন্য রকম এটা ২০২৪ এরপরে মেনে নেওয়া যায় না। আমি মনে করি এখন পর্যন্ত নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। সব উপজেলায় প্রশাসনিক পদ রদ বদল হয়েছে কিন্তু গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এখনো হয়নি, তিনি বিশেষ শক্তির সাথে হাত মিলিয়েছেন মনে করি,তার খুটির জোর অনেক শক্ত পোক্ত। তিনি আমাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করেন আমি নাকি প্রত্যেকবার নির্বাচনের আগে ফরম জমা দেওয়ার সময় এক্সিডেন্ট করি,যা সম্পন্ন মিথ্যা তার কথার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং সেই সাথে তার আইন গত বিচার চাই।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রওশানুল কাওছার বলেন, প্রার্থী একটি কাগজে স্বাক্ষর নিতে আমার কাছে আসলে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করি। সেসময় তিনি বলেন স্বাক্ষর করবেন কিনা তা আপনার ব্যাপার। আমাকে কেন ফোন দিয়ে জানতে হবে কেন। তিনি আরও বলেন, যদি প্রার্থীর সার্টিফিকেট সঠিক না হয় তাহলে আপনাকে তার দায় নিতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী রির্টার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যথাসময়ে প্রার্থী কাগজপত্রসহ যথাসময়ে অনুপস্থিত থাকায় তার মনোনয়নপ্রত্র গ্রহণ করা হয়নি।

আর