সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ঘোনা পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও নোয়াপাড়া বাজারে ফার্মেসি ব্যবসায়ী মফিদুলের কথিত আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষক সমাজসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে একজন ব্যক্তিকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। এলাকাবাসীর দাবি, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি ঘোনা পল্লীমঙ্গল স্কুলের শিক্ষক ও ফার্মেসি ব্যবসায়ী মফিদুল। তার বাড়ি তালা উপজেলার তেরসি গ্রামের তেতুলিয়া ইউনিয়নে। তবে ভিডিওটির সত্যতা ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
এ ঘটনায় শিক্ষকদের একটি বড় অংশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে সমাজ নৈতিকতা ও আদর্শ প্রত্যাশা করে। এ ধরনের অভিযোগ শিক্ষাঙ্গনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সত্যিই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও নিন্দনীয়। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা উদঘাটন ও দোষী প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এই বিষয়ে মফিদুল ইসলাম এর (01745444929) এই নাম্বারে ফোন দিলে তিনি বলেন, আমি কোন মেয়ের সাথে অবৈধ কিছু করিনি যে আমাকে কেউ কিছু করতে পারবে। তার স্ত্রী সাংবাদিক দেখলে ক্ষিপ্ত হয়ে উল্টো পালটা কথা বলছেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিডিওটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে। সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনের সুনাম রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।
এএস/

আজ থেকে সাত কলেজের ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ ও গণজমায়েত
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 























