ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
দুদকের তালিকায় গোপন

বেনজীরের সহযোগী হিসেবে হেভিওয়েট ব্যক্তিদের নাম

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে যারা নানাভাবে সহায়তা করেছেন তাদের তালিকা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তালিকা তৈরির পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে।

সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান পরিচালনাকারী দুদক তদন্ত দল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, র‌্যাব মহাপরিচালক ও পুলিশ প্রধান থাকাকালে বেনজীরকে সহায়তাকারীরা নানাভাবে সুবিধা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে পুলিশ কর্মকর্তার সংখ্যাই বেশি। এছাড়া আছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কথিত বিভিন্ন পেশার লোকজন। যেসব পুলিশ কর্মকর্তার নাম আসছে তারা বর্তমানে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত আছেন। কেউ কেউ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। আছেন পুলিশ সদর দপ্তরেও। ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও গাজীপুরে জমি দখলের সঙ্গে তারা সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।

পত্রিকায় বেনজীরের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর গত ১৮ এপ্রিল দুদক তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে অনুসন্ধান শুরু করে।

দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বেনজীরের দুর্নীতিতে অনেকে সহযোগিতা করেছেন। কারণ একা এতটা করা সম্ভব ছিল না। তার বেশিরভাগ সহযোগীই পুলিশ সদস্য।

ওই কর্মকর্তা বলেন, গাজীপুরের ভাওয়াল রিসোর্টের মতো কিছু সম্পত্তিতে বেনজীরের সঙ্গে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অংশীদারিত্ব আছে।

আগামী ৬ জুন বেনজীরকে এবং ৯ জুন তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলবও করেছে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, বেনজীর বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে কিছু জমি কিনেছেন।বেনজীরকে এসব জমি পেতে সহায়তাকারী সাব-রেজিস্ট্রারদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ বলেন, আমাদের তদন্ত দল সম্পূর্ণ স্বাধীন। যেভাবে তারা ভালো মনে করবে সেভাবে তদন্ত করবে। বেনজীরকে সহায়তা ও মদদ দেওয়ার পেছনে যাদের নাম আসবে, তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

দুদকের তালিকায় গোপন

বেনজীরের সহযোগী হিসেবে হেভিওয়েট ব্যক্তিদের নাম

আপডেট সময় ০১:০১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে যারা নানাভাবে সহায়তা করেছেন তাদের তালিকা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তালিকা তৈরির পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে।

সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান পরিচালনাকারী দুদক তদন্ত দল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, র‌্যাব মহাপরিচালক ও পুলিশ প্রধান থাকাকালে বেনজীরকে সহায়তাকারীরা নানাভাবে সুবিধা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে পুলিশ কর্মকর্তার সংখ্যাই বেশি। এছাড়া আছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও কথিত বিভিন্ন পেশার লোকজন। যেসব পুলিশ কর্মকর্তার নাম আসছে তারা বর্তমানে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত আছেন। কেউ কেউ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। আছেন পুলিশ সদর দপ্তরেও। ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও গাজীপুরে জমি দখলের সঙ্গে তারা সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।

পত্রিকায় বেনজীরের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর গত ১৮ এপ্রিল দুদক তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে অনুসন্ধান শুরু করে।

দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বেনজীরের দুর্নীতিতে অনেকে সহযোগিতা করেছেন। কারণ একা এতটা করা সম্ভব ছিল না। তার বেশিরভাগ সহযোগীই পুলিশ সদস্য।

ওই কর্মকর্তা বলেন, গাজীপুরের ভাওয়াল রিসোর্টের মতো কিছু সম্পত্তিতে বেনজীরের সঙ্গে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার অংশীদারিত্ব আছে।

আগামী ৬ জুন বেনজীরকে এবং ৯ জুন তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলবও করেছে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, বেনজীর বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে কিছু জমি কিনেছেন।বেনজীরকে এসব জমি পেতে সহায়তাকারী সাব-রেজিস্ট্রারদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ বলেন, আমাদের তদন্ত দল সম্পূর্ণ স্বাধীন। যেভাবে তারা ভালো মনে করবে সেভাবে তদন্ত করবে। বেনজীরকে সহায়তা ও মদদ দেওয়ার পেছনে যাদের নাম আসবে, তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।