ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করেছে অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া টিমের সদস্যরা। সাপটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের মোহাম্মদ রুবেলের বাড়ি থেকে শঙ্খিনী সাপটি উদ্ধার করা হয়।

অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্য এইচ এম মাসুদ হাসান বলেন, খবর পেয়ে রুবেলের বাড়িতে গিয়ে দেখি জালে পেঁচিয়ে পড়ে আছে একটি শঙ্খিনী সাপ। পরে সেখানে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করা হয়। সুস্থ থাকায় নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করি।

রুবেল বলেন, আমার বাড়ির আঙিনায় জালের সাথে পেঁচিয়ে ছিল সাপটি। দূর থেকে কিছু একটা নড়তে দেখে কাছাকাছি গিয়ে দেখি বড় একটি সাপ জালে আটকে গেছে। আমি তাৎক্ষণিক অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যদের খবর দেই। তারা এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, বন্য প্রাণী হিসেবে এটা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সাপ প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে। এটির নাম শঙ্খিনী (Banded Krait)। তবে দু-মুখো সাপও বলতে শোনা যায়। স্থানীয়ভাবেই বেশি বলা হয় দু-মুখো সাপ। দু-মুখো বলা হলেও আসলে এর মাথা একটিই। এর আকৃতি এমন যে, কোনটি মাথা আর কোনটি লেজ তা সহজে শনাক্ত করা যায় না। তবে সাপটি অনেক বিষাক্ত। এই সাপটি ইঁদুরসহ অন্যান্য বিষাক্ত সাপ খেয়ে ফেলে।

নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করেছে অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া টিমের সদস্যরা। সাপটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামের মোহাম্মদ রুবেলের বাড়ি থেকে শঙ্খিনী সাপটি উদ্ধার করা হয়।

অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্য এইচ এম মাসুদ হাসান বলেন, খবর পেয়ে রুবেলের বাড়িতে গিয়ে দেখি জালে পেঁচিয়ে পড়ে আছে একটি শঙ্খিনী সাপ। পরে সেখানে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করা হয়। সুস্থ থাকায় নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করি।

রুবেল বলেন, আমার বাড়ির আঙিনায় জালের সাথে পেঁচিয়ে ছিল সাপটি। দূর থেকে কিছু একটা নড়তে দেখে কাছাকাছি গিয়ে দেখি বড় একটি সাপ জালে আটকে গেছে। আমি তাৎক্ষণিক অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যদের খবর দেই। তারা এসে সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, বন্য প্রাণী হিসেবে এটা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সাপ প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে। এটির নাম শঙ্খিনী (Banded Krait)। তবে দু-মুখো সাপও বলতে শোনা যায়। স্থানীয়ভাবেই বেশি বলা হয় দু-মুখো সাপ। দু-মুখো বলা হলেও আসলে এর মাথা একটিই। এর আকৃতি এমন যে, কোনটি মাথা আর কোনটি লেজ তা সহজে শনাক্ত করা যায় না। তবে সাপটি অনেক বিষাক্ত। এই সাপটি ইঁদুরসহ অন্যান্য বিষাক্ত সাপ খেয়ে ফেলে।