ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বৈধপথে রেমিটেন্স দেশের জন্য বড় অবদান

প্রত্যেক প্রবাসীই বিদেশে তার দেশের প্রতিনিধি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রবাসে শুধু অন্যের প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে ব্যবসায়ের মালিকানা অর্জনের উৎসাহ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এসময় তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক প্রবাসীই বিদেশে তার দেশের প্রতিনিধি। সে যদি অপরাধ করে, তবে তার দেশের বদনাম হয়। সে কারণে বসবাসের দেশের আইনকানুন মেনে চলা উচিত।’

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন ও মহানবির (সা:) রওজা শরীফ জিয়ারত শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মদিনার স্থানীয় একটি হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন প্রবাসী যত সহজে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছুতে পারেন, দেশের জেলা আওয়ামী লীগের নেতার পক্ষেও তা সম্ভব হয় না। প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য বিশেষ পেনশন স্কিম চালু করেছেন, যার সুবিধা ৫৫ বছর বয়সের মানুষও নিতে পারেন, প্রবাসীদের জন্য অফশোর ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে, যেখানে সহজে ডলার একাউন্টও খোলা যায়।

তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবে প্রায় তিরিশ লাখ বাংলাদেশি আছেন, বিশ্বের অনেক দেশের মোট জনসংখ্যাও এর থেকে কম। ৩০ লাখ প্রবাসী বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠালে দেশের জন্য তা বড় অবদান। এ বিষয়ে যত্নবান থাকতে হবে।

আওয়ামী যুবলীগ মদিনা শাখার সভাপতি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, জেদ্দায় নিযুক্ত কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক ও স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা সভায় যোগ দেন। সভায় ড. হাছান মাহমুদ তার দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা ও বিদেশে থাকাকালে দেশের জন্য মনের আকুতি তুলে ধরেন।

কমিউনিটি সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন মদিনা প্রবাসী আনিসুর রহমান পলাশ, রাজু আহমেদ, এ কে এম আসগর আলি, মুসা আব্দুল জলিল, মোহাম্মদ লিটন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাহমুদ মিলন, মোশাররফ শিকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ শাহজাদা প্রমুখ।

বৈধপথে রেমিটেন্স দেশের জন্য বড় অবদান

প্রত্যেক প্রবাসীই বিদেশে তার দেশের প্রতিনিধি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:২৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

প্রবাসে শুধু অন্যের প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে ব্যবসায়ের মালিকানা অর্জনের উৎসাহ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এসময় তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক প্রবাসীই বিদেশে তার দেশের প্রতিনিধি। সে যদি অপরাধ করে, তবে তার দেশের বদনাম হয়। সে কারণে বসবাসের দেশের আইনকানুন মেনে চলা উচিত।’

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন ও মহানবির (সা:) রওজা শরীফ জিয়ারত শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মদিনার স্থানীয় একটি হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন প্রবাসী যত সহজে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছুতে পারেন, দেশের জেলা আওয়ামী লীগের নেতার পক্ষেও তা সম্ভব হয় না। প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য বিশেষ পেনশন স্কিম চালু করেছেন, যার সুবিধা ৫৫ বছর বয়সের মানুষও নিতে পারেন, প্রবাসীদের জন্য অফশোর ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে, যেখানে সহজে ডলার একাউন্টও খোলা যায়।

তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবে প্রায় তিরিশ লাখ বাংলাদেশি আছেন, বিশ্বের অনেক দেশের মোট জনসংখ্যাও এর থেকে কম। ৩০ লাখ প্রবাসী বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠালে দেশের জন্য তা বড় অবদান। এ বিষয়ে যত্নবান থাকতে হবে।

আওয়ামী যুবলীগ মদিনা শাখার সভাপতি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, জেদ্দায় নিযুক্ত কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক ও স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা সভায় যোগ দেন। সভায় ড. হাছান মাহমুদ তার দীর্ঘ প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা ও বিদেশে থাকাকালে দেশের জন্য মনের আকুতি তুলে ধরেন।

কমিউনিটি সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন মদিনা প্রবাসী আনিসুর রহমান পলাশ, রাজু আহমেদ, এ কে এম আসগর আলি, মুসা আব্দুল জলিল, মোহাম্মদ লিটন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাহমুদ মিলন, মোশাররফ শিকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ শাহজাদা প্রমুখ।