ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ট্রেনে কাটা ৫ লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন, মামলা

নরসিংদীর রায়পুরায় ট্রেনে কাটা ছিন্নবিচ্ছিন্ন ৫ লাশের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করেছে রেলওয়ে পুলিশ। সোমবার রাত ১২টায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে নরসিংদী রেলস্টেশনসংলগ্ন রেলওয়ে কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় ভৈরব রেলওয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এর আগে সোমবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের রায়পুরা উপজেলার কমলপুর এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়া ছিন্নবিচ্ছিন্ন ৫ লাশ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের উপজেলার মেথিকান্দার রেলগেট এলাকায় পলাশতলী ইউনিয়নের কমলপুরে রেললাইনে ছিন্নবিচ্ছিন্ন ৫টি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ, পিবিআই, রায়পুরা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল এসে নিহতদের লাশ উদ্ধারে কাজ শুরু করেন। নিহত সবাই পুরুষ। তাদের বয়স আনুমানিক ১৫ থেকে ২৫ এর মধ্যে হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

লাশের পরিচয় শনাক্ত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ। তবে জাতীয় সার্ভারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলায় তাদের পরিচয় শনাক্ত সম্ভব হয়নি। এমনকি রাত পর্যন্ত কোনো স্বজন পরিচয় শনাক্ত করেননি। সব লাশ কাছাকাছি হওয়ায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে জনমনে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় রায়পুরা উপজেলার মেথিকান্দা স্টেশনের স্টেশনমাস্টার আশরাফ আলী বাদী হয়ে ভৈরব রেলওয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা করেছেন।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মো. শহীদুল্লাহ বলেন, পিবিআই হাতের ছাপ সংগ্রহ করলেও তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে তাদের কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। লাশগুলোর ডিএনএ ও ভিসেরা সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো ঢাকার মালিবাগের সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হবে। ডিএনএ পরিচয় শনাক্তে ও ভিসেরার মাধ্যমে তারা কোনো নেশা করেছে কিনা শনাক্ত করা যাবে। আর লাশগুলো ময়নাতদন্ত শেষে রেলওয়ে কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এটি হত্যা না দুর্ঘটনা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই বলা যবে। ঘটনাটি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

 

ট্রেনে কাটা ৫ লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন, মামলা

আপডেট সময় ১২:২৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

নরসিংদীর রায়পুরায় ট্রেনে কাটা ছিন্নবিচ্ছিন্ন ৫ লাশের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করেছে রেলওয়ে পুলিশ। সোমবার রাত ১২টায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে নরসিংদী রেলস্টেশনসংলগ্ন রেলওয়ে কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় ভৈরব রেলওয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এর আগে সোমবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের রায়পুরা উপজেলার কমলপুর এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়া ছিন্নবিচ্ছিন্ন ৫ লাশ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের উপজেলার মেথিকান্দার রেলগেট এলাকায় পলাশতলী ইউনিয়নের কমলপুরে রেললাইনে ছিন্নবিচ্ছিন্ন ৫টি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ, পিবিআই, রায়পুরা ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল এসে নিহতদের লাশ উদ্ধারে কাজ শুরু করেন। নিহত সবাই পুরুষ। তাদের বয়স আনুমানিক ১৫ থেকে ২৫ এর মধ্যে হবে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

লাশের পরিচয় শনাক্ত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ। তবে জাতীয় সার্ভারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলায় তাদের পরিচয় শনাক্ত সম্ভব হয়নি। এমনকি রাত পর্যন্ত কোনো স্বজন পরিচয় শনাক্ত করেননি। সব লাশ কাছাকাছি হওয়ায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে জনমনে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় রায়পুরা উপজেলার মেথিকান্দা স্টেশনের স্টেশনমাস্টার আশরাফ আলী বাদী হয়ে ভৈরব রেলওয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা করেছেন।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মো. শহীদুল্লাহ বলেন, পিবিআই হাতের ছাপ সংগ্রহ করলেও তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে তাদের কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। লাশগুলোর ডিএনএ ও ভিসেরা সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো ঢাকার মালিবাগের সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হবে। ডিএনএ পরিচয় শনাক্তে ও ভিসেরার মাধ্যমে তারা কোনো নেশা করেছে কিনা শনাক্ত করা যাবে। আর লাশগুলো ময়নাতদন্ত শেষে রেলওয়ে কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এটি হত্যা না দুর্ঘটনা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই বলা যবে। ঘটনাটি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।