ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার

ইউক্রেনের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় চালানো ওই হামলায় এক লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন।

শনিবার (৬ জুলাই) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়া হয়েছে, বিমান হামলায় রাশিয়ার সীমান্তবর্তী সুমি শহর এবং ওই অঞ্চলের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইউক্রেনের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়ার হামলার পর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে এক লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। এদিকে হামলার পর বিদ্যুৎ পুনরায় চালুর জন্য কাজ চলছে বলে দেশটির জাতীয় গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনারগো বলেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে ক্ষতি ছাড়া এই হামলায় কোনো হতাহতের বা ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ইউক্রেনজুড়ে বিদ্যুৎ অবকাঠামোগুলোতে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এসব হামলার কারণে প্রায়ই দেশটির মানুষ ব্যাপক ব্ল্যাকআউটে নিমজ্জিত হয়ে থাকেন। এর ফলে লোকেরা পানি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম ছাড়াই গ্রীষ্মের তীব্র পরিস্থিতি সহ্য করতে বাধ্য হন।

শুধুমাত্র গত তিন মাসে রাশিয়ার হামলায় ৯ গিগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউক্রেনারগো বলেছে, শত্রুদের এই কর্মকাণ্ডে ইউক্রেন তার সমস্ত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হারিয়েছে এবং ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সব পানি বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গত ৫-৬ জুলাই রাতে রাশিয়ার উৎক্ষেপণ করা ২৭টি শাহেদ কামিকাজে ড্রোনের মধ্যে ২৪টি ভূপাতিত করেছে বলে এয়ার ফোর্স কমান্ড টেলিগ্রামে জানিয়েছে।

ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার

আপডেট সময় ০১:২৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪

ইউক্রেনের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় চালানো ওই হামলায় এক লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন।

শনিবার (৬ জুলাই) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়া হয়েছে, বিমান হামলায় রাশিয়ার সীমান্তবর্তী সুমি শহর এবং ওই অঞ্চলের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইউক্রেনের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়ার হামলার পর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে এক লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে। এদিকে হামলার পর বিদ্যুৎ পুনরায় চালুর জন্য কাজ চলছে বলে দেশটির জাতীয় গ্রিড অপারেটর ইউক্রেনারগো বলেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে ক্ষতি ছাড়া এই হামলায় কোনো হতাহতের বা ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ইউক্রেনজুড়ে বিদ্যুৎ অবকাঠামোগুলোতে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এসব হামলার কারণে প্রায়ই দেশটির মানুষ ব্যাপক ব্ল্যাকআউটে নিমজ্জিত হয়ে থাকেন। এর ফলে লোকেরা পানি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম ছাড়াই গ্রীষ্মের তীব্র পরিস্থিতি সহ্য করতে বাধ্য হন।

শুধুমাত্র গত তিন মাসে রাশিয়ার হামলায় ৯ গিগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউক্রেনারগো বলেছে, শত্রুদের এই কর্মকাণ্ডে ইউক্রেন তার সমস্ত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হারিয়েছে এবং ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সব পানি বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গত ৫-৬ জুলাই রাতে রাশিয়ার উৎক্ষেপণ করা ২৭টি শাহেদ কামিকাজে ড্রোনের মধ্যে ২৪টি ভূপাতিত করেছে বলে এয়ার ফোর্স কমান্ড টেলিগ্রামে জানিয়েছে।