ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সন্ত্রাসী কায়দায় রেস্তোরাঁ ভাঙচুর ও সিলগালা করা হচ্ছে : মালিক সমিতি

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেছেন, সন্ত্রাসী কায়দায় রেস্তোরাঁ ভাঙচুর ও সিলগালা করা হচ্ছে। অথচ সরকারি যেসব সংস্থা অবহেলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না এই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

রেস্তোরাঁ বন্ধ কোনো সমাধান নয় জানিয়ে ইমরান হাসান বলেন, স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা যেতে পারে। দেশের রেস্টুরেন্ট খাতের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে রক্ষা করুন। নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করতে পরামর্শ দিন। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। রমজান মাসে সিলগালা নাটক বন্ধ করুন। সরকারি সব সংস্থার নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে অবহেলার জন্য ব্যবসায়ীরা দায়ী নয়।

ইমরান হাসান বলেন, রেস্তোরাঁ শিল্পটি মনিটরিং করে প্রায় ১২টি সংস্থা। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল দেশের সব রেস্টুরেন্ট সেবাকে একটি সংস্থার অধীনে এনে লাইসেন্স দিতে। লাইসেন্স সহজীকরণ বলতে বুঝাচ্ছি যে, লাইসেন্স করতে হলে এমন কিছু ডকুমেন্ট চাওয়া হয় যা বাস্তবসম্মত নয় বা প্রদান করাও সম্ভব নয়। লাইসেন্স গ্রহণের প্রক্রিয়া জটিল করে অসাধু-উপায়ে ম্যানেজ করার জন্য বাধ্য করা হয়।

তিনি জানান, ভবন মালিক, রেস্তোরাঁ মালিক, সরকারি সংস্থাগুলো একসঙ্গে কাজ করতে পারলেই এই সেক্টরটি সঠিকভাবে সুনির্দিষ্ট কম্পালায়েন্সের মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব। এই  শিল্পটি চরম অবহেলিত সেক্টর।

তিনি  আরও বলেন,  এখন সময় এসেছে রোস্তোরাঁসমূহে হয়রানি বন্ধ করে বন্ধ রেস্তোরাঁগুলো এখনই খুলে দেওয়ার। কেননা রেস্তোরাঁ শিল্পগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আগে চলমান মাসের বেতন-ভাতাদি ও বোনাস দিতে হবে। রেস্তোরাঁ যদি বন্ধ থাকে তাহলে রেস্তোরাঁর মালিক কীভাবে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে বেতন ভাতাদি ও বোনাস প্রদান করবে?

সন্ত্রাসী কায়দায় রেস্তোরাঁ ভাঙচুর ও সিলগালা করা হচ্ছে : মালিক সমিতি

আপডেট সময় ০৪:২২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেছেন, সন্ত্রাসী কায়দায় রেস্তোরাঁ ভাঙচুর ও সিলগালা করা হচ্ছে। অথচ সরকারি যেসব সংস্থা অবহেলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না এই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

রেস্তোরাঁ বন্ধ কোনো সমাধান নয় জানিয়ে ইমরান হাসান বলেন, স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা যেতে পারে। দেশের রেস্টুরেন্ট খাতের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে রক্ষা করুন। নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করতে পরামর্শ দিন। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। রমজান মাসে সিলগালা নাটক বন্ধ করুন। সরকারি সব সংস্থার নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে অবহেলার জন্য ব্যবসায়ীরা দায়ী নয়।

ইমরান হাসান বলেন, রেস্তোরাঁ শিল্পটি মনিটরিং করে প্রায় ১২টি সংস্থা। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল দেশের সব রেস্টুরেন্ট সেবাকে একটি সংস্থার অধীনে এনে লাইসেন্স দিতে। লাইসেন্স সহজীকরণ বলতে বুঝাচ্ছি যে, লাইসেন্স করতে হলে এমন কিছু ডকুমেন্ট চাওয়া হয় যা বাস্তবসম্মত নয় বা প্রদান করাও সম্ভব নয়। লাইসেন্স গ্রহণের প্রক্রিয়া জটিল করে অসাধু-উপায়ে ম্যানেজ করার জন্য বাধ্য করা হয়।

তিনি জানান, ভবন মালিক, রেস্তোরাঁ মালিক, সরকারি সংস্থাগুলো একসঙ্গে কাজ করতে পারলেই এই সেক্টরটি সঠিকভাবে সুনির্দিষ্ট কম্পালায়েন্সের মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব। এই  শিল্পটি চরম অবহেলিত সেক্টর।

তিনি  আরও বলেন,  এখন সময় এসেছে রোস্তোরাঁসমূহে হয়রানি বন্ধ করে বন্ধ রেস্তোরাঁগুলো এখনই খুলে দেওয়ার। কেননা রেস্তোরাঁ শিল্পগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আগে চলমান মাসের বেতন-ভাতাদি ও বোনাস দিতে হবে। রেস্তোরাঁ যদি বন্ধ থাকে তাহলে রেস্তোরাঁর মালিক কীভাবে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে বেতন ভাতাদি ও বোনাস প্রদান করবে?